আন্তর্জাতিক একাডেমিক এক্সেলেন্স এওয়ার্ডের" জন্য সারা ভারত থেকে মনোনিত হয়েছেন বিজ্ঞানী কাঞ্চন কুমার ভৌমিক

5th September 2021 11:25 pm জেলা
আন্তর্জাতিক একাডেমিক এক্সেলেন্স এওয়ার্ডের


আজ ৫ ই সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসের দিন, "এনভিরোন্মেন্টাল এডভাইজারী ফর সাস্টেন্যবল্ ট্রাস্ট" (ই.এ.এস.টি) কর্তৃক দক্ষিন ভারতে (সেন্ট জনস কলেজ, তিরুনেলভেলি) আয়োজিত ৪র্থ "আন্তর্জাতিক একাডেমিক এক্সেলেন্স এওয়ার্ডের" জন্য সারা ভারত থেকে মনোনিত হয়েছেন ভারত সরকারের জাতীয় গ্রামীণ জীবিকা মিশনের সুসংহত কৃষির জাতীয় প্রশিক্ষক বিজ্ঞানী কাঞ্চন কুমার ভৌমিক; পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডি. কে. মডান; তামিলনাড়ুর স্কুল অফ এগ্রিকালচার এন্ড এনিম্যল সায়েন্সের অধ্যাপক টি. সেন্টিভ্যল; নিউদিল্লীর ইন্ডিয়ান স্কুল অফ সোসাল সায়েন্স রিসার্চের অধ্যাপক ভি. কে. মালহোত্রা; ব্যঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এস.আর.কেসাভা; সেন্ট জনস্ কলেজের অধ্যক্ষ এস.জন.কেনেডী ভেথানাথন প্রমুখ...... উপস্থিত ছিলেন এশিয়া মহাদেশের, মালয়েশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দালেলিয়ার কাউর রান্ডেয়র, শ্রীলঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কে. এম. মুস্তাফা এবং অন্যান্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভি.সি, ডীন ও অধ্যাপকবৃন্দ.

 

কৃষিবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা ও চাকুরির সুবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ঘুরে ঘুরে একটাই সংকল্প আমাদের খাদ্যকে আগে বিষমুক্ত করতে হবে তাই রাসায়নিক সার ঔষধের যথেচ্ছভাবে ব্যবহার একেবারেই বন্ধ করতে হবে আর তাহলেই আমাদের মাটি, জল, বাতাস শুদ্ধ ও পরিস্রুত হবে এবং বাড়িতে বাড়িতে সুগার, প্রেসার এমনকি ক্যনসারের মারনব্যধিও কমবে তাই যখন যেখানে যান এই মাস ক্যম্পেন চলতে থাকে... আজ ভাবতে অবাক লাগে করোনার মত মারনব্যধী আমাদের আষ্টেপিষ্টে বেঁধে রেখেছে যেখানে ইম্যুউন পাওয়ার একেবারেই কমে যাচ্ছে আর সেজন্যই চাই বিষমুক্ত খাবার...... কৃষিবিজ্ঞানী কাঞ্চন কুমার ভৌমিকের জন্ম ১৯৭৬ সালের ১৮ ই এপ্রিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত পিংলা থানার উপলদা গ্রামে । পিতা ছিলেন স্কুল শিক্ষক । চারভাইবোনের সংসারে সবচেয়ে ছোট । পড়াশোনা গ্রামের প্রাইমারী স্কুল ও হাইস্কুল । জাতীয় বৃত্তি ও বোর্ডের পরীক্ষায় ৮০ শতাংশের বেশী মার্কস্ নিয়ে গোবর্ধনপুর হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক যথাক্রমে ১৯৯২ ও ১৯৯৪ সালে । সরকারী বোর্ডের পরীক্ষায় ৮৮ তম স্থান লাভ করেন । এরপর কৃষিবিজ্ঞানে রাজ্যের সেরা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিধান চন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে সাম্মানিক স্নাতক (১৯৯৯) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী(২০০১) লাভ করেন । এছাড়াও দেশের সেরা প্রতিষ্ঠান (আই.সি.এ.আর এবং এন.আই.আর.ডি) থেকে সময়ে সময়ে সুসংহত কৃষি ও এগ্রি ক্লিনিক এন্ড এগ্রি বিজনেস ম্যনেজম্যন্টের কিছু ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্স করেছেন । গবেষণার জন্য ভর্তি হয় ভারতের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান আই.আই.টি খড়গপুরে ২ বছরের গবেষণা (লিডিং টু পি.এইচ.ডি) শেষে যোগ দেন রাজ্য সরকারের সামগ্রিক অঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ (সি.এ.ডি.সি) তে কৃষি আধিকারিক পদে । প্রায় ৭ বছর পর তিনি যোগ দেন রাজ্য সরকারের রাজ্য গ্রামীণ জীবিকা মিশনের রাজ্যের জীবন জীবিকা উন্নয়নের রাজ্য প্রবন্ধক পদে এবং বর্তমানে জাতীয় গ্রামীণ জীবিকা মিশনের সুসংহত কৃষির জাতীয় বিশেষজ্ঞ (এন. আর.পি - এস.এ)... তিনি গবেষনার জন্য ডাক পেয়েছিলেন নিউজিল্যাণ্ডের ম্যশে ইউনিভার্সিটিতে । তিনি ইতিমধ্যেই সাম্মানিক ডক্টরেটের জন্য মনোনীত হয়েছেন লন্ডণ গ্র্যাজুয়েট স্কুল ( ইন কলাবোরেশন উইথ কমনওয়েল্থ ইউনিভার্সিটি ) থেকে । তিনি ভারত সরকারের মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রনালয় কর্তৃক জাতীয় পুরস্কার (স্কলারশিপ) ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইয়ং সায়েন্টিস্ট পুরস্কার পেয়েছেন । ভারতের মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সম্মানিত হয়েছেন । ভারতের সবুজ বিপ্লবের জনক এম.এস.স্বামীনাথন কর্তৃক সম্মানিত হয়েছেন । তার আবিষ্কার জৈব ইউরিয়া ও কাঞ্চনকনা । ইতিমধ্যেই ভারতের পাশাপাশি নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, বার্মা ও সোভিয়েত রাশিয়ার বিভিন্ন দেশে তিনি পুরষ্কৃত হয়েছেন । তিনি ইউনেস্কো গুয়াংজো এসোসিয়েশন, কোরিয়া কর্তৃক সম্মানিত হয়েছেন। তার গবেষণার বিষয় মুলত মাটি, জল,পরিবেশ কে ঠিক করে বিষমুক্ত খাবার যা বর্তমানে বড়ই দুর্লভ । তাইতো বাড়ীতে বাড়ীতে সুগার প্রেশার ক্যনসারের মত মারনব্যধী আর করোনার মতো সামান্য ভাইরাসও অসামান্য চেহারায় সারা বিশ্বকে ভাবিয়ে তুলেছে । এই করোনা পেন্ডেমিকের মধ্যে কল্যানী ইউনিভার্সিটি, উড়িষ্যার সম্বলপুর ইউনিভার্সিটি ও বিদেশের কয়েকজন বিজ্ঞানীদের সাথে যৌথ গবেষনায় "জৈব সেলুলোজ মাস্ক" ও ইম্যুউন বুস্টারের ফরমুলা (কোভিডমুক্তি) বের করেছেন যা আই.সি.এম.আরের প্রশংসিত হয়েছে এবং তার বেশ কিছু গবেষণা ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক গবেষণায় স্থান পেয়েছে





Others News

মহারণের রণক্ষেত্রে তরুণ সমাজ: আধুনিক রাজনীতি ও সমাজ গঠনে নতুন দিশার সন্ধানে ‘International Newstar’

মহারণের রণক্ষেত্রে তরুণ সমাজ: আধুনিক রাজনীতি ও সমাজ গঠনে নতুন দিশার সন্ধানে ‘International Newstar’


কলকাতা | ২০ মার্চ, ২০২৬ বর্তমান বিশ্বের দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে আধুনিক সমাজ ও রাজনীতিতে তরুণ প্রজন্মের প্রকৃত অবস্থান এবং চ্যালেঞ্জ নিয়ে এক বিশেষ বুদ্ধিবৃত্তিক আড্ডার আয়োজন করল আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ‘International Newstar’। গত ২০ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় ফেসবুক এবং ইউটিউব লাইভের মাধ্যমে সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

তরুণ প্রজন্মের চ্যালেঞ্জ ও আগামীর পথচলা

‘মহারণের রণক্ষেত্রে তরুণ সমাজ’ শিরোনামের এই অনুষ্ঠানে আলোচকরা সমসাময়িক রাজনীতির জটিলতা এবং সামাজিক অস্থিরতার মাঝে তরুণদের লড়াই নিয়ে দীর্ঘ এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিশদ বিশ্লেষণ করেন। বর্তমান প্রজন্মের সামনে থাকা প্রতিবন্ধকতাগুলো কাটিয়ে কীভাবে একটি সমৃদ্ধ সমাজ গড়া সম্ভব, সেই বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন বিশিষ্টজনেরা।


আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

অনুষ্ঠানটিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের নক্ষত্ররা তাঁদের মূল্যবান মতামত পেশ করেন:

  • শ্রী জগৎপতি সরকার: এশিয়াটিক সোসাইটির সদস্য ও বিশিষ্ট রবীন্দ্র গবেষক। তিনি ইতিহাসের নিরিখে তরুণদের নৈতিক দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেন।

  • দেবরাজ সাহা: লেখক ও সম্পাদকীয় বিশ্লেষক হিসেবে তিনি তরুণ মনের মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক বিবর্তন ব্যাখ্যা করেন।

  • বাদল বর্মন: রাজ্য স্তরের হকি খেলোয়াড়, কবি ও সংগঠক। ‘International Newstar’-এর সহ-সভাপতি এবং ‘প্রগতির কলম’ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তিনি তরুণদের ক্রীড়া ও সাংগঠনিক দক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

  • সাম্যব্রত ভৌমিক: ইস্ট ওয়েস্ট এডুকেশন ইনস্টিটিউটের ছাত্র হিসেবে বর্তমান প্রজন্মের চাওয়া-পাওয়া ও বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

  • সৌমেন সেন ও সুব্রত চ্যাটার্জী: আন্তর্জাতিক নবনক্ষত্র পত্রিকার সম্পাদক এবং International Newstar-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি যথাক্রমে সংবাদমাধ্যম ও সমাজের সেতুবন্ধনে তরুণদের ভূমিকার কথা বলেন।

  • কল্যাণী: সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা (International Newstar) হিসেবে তরুণদের সাংস্কৃতিক বিকাশের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন।


সঞ্চালনায় দুই বাচিক শিল্পী

সমগ্র অনুষ্ঠানটিকে অত্যন্ত সুচারু ও পেশাদারিত্বের সাথে এগিয়ে নিয়ে যান দুই বিশিষ্ট সঞ্চালিকা:

  1. পিয়ালী ভট্টাচার্য: বিশিষ্ট সঞ্চালিকা ও বাচিক শিল্পী।

  2. দিব্যমা রায়: কবি, সাহিত্যিক, বাচিক শিল্পী ও শিক্ষিকা।

তাঁদের প্রাঞ্জল উপস্থাপনা এবং আকর্ষণীয় সঞ্চালনা অনুষ্ঠানটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক সাফল্য

ইউটিউব এবং ফেসবুক লাইভে সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানটি হাজার হাজার দর্শকের কাছে পৌঁছেছে। প্রায় এক ঘণ্টার এই আলোচনাটি কেবল একটি আড্ডা নয়, বরং বর্তমান প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘গাইডলাইন’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।